ইট এর ব্যবহার এবং গুনাগোন

ইট এর ব্যবহার এবং গুনাগোন

নির্মাণ কাজে ইট একটি অপরিহার্য উপাদান।ইটের ব্যবহার: ইটের এত ব্যবহার হয়ত বলে শেষ করা যাবে না।তবে যেসকল কাজে ইট বহুল ভাবে ব্যবহুত হয় সেগুলো হল: ইমারত নির্মাণ, সেতু, বাধ,সোলিং, রাস্তা ইত্যাদি

ইট বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে, একেক ধরনের ইট একের কাজের জন্য উপযোগি।ইটকে সাধারণত ভাগ করা যায়

১) ১ম শ্রেণীর ইট; ২) ২য় শ্রেনীর ইট; ৩) ৩য় শ্রেনীর ইট; ৪) ঝামা ইট; ৫) পিকেড ইট;

১ম শ্রেণীর ইট চিনার উপায়: এই ইটের সাইজ এবং রং সমরূপ থাকে। কোথাও কম বা বেশি পোড়ানো হয় না। পরস্পর আঘাত করলে ধাতব শব্দ হবে এবং কোন চির বা ফাঁক থাকে না। সহজে ভাঙ্গে না।সাধারণত পানিতে শোষণ ক্ষমতা ১৫% এর বেশি হয় না।

২য় শ্রেণীর ইট: এই ইট ১ম শ্রেণীর মতই রং এবং শক্ত কিন্তু এই ইটের সাইট ১ম শ্রণির ইটের মত সমরুপ হয় না। এর শব্দ তীক্ষ্ণ নয় এবং ইটের গায়ে ফাটল থাকে। এর পানির শোষণ ক্ষমতা ২০% এর চেয়ে বেশী থাকে।

৩য় শ্রেণীর ইট: এই ধরনের ইট পর্যাপ্ত পোড়ানো থাকে না এবং গুনাগুন নিম্নমানের। ইহা সহজেই ভেঙ্গে যায়। এর ঠন ঠন শব্দ হয় না। এই প্রকার ইটের পানির শোষণ ক্ষমতা ২৫% এর চেয়ে বেশী থাকে।

ঝামা ইটঃ এই ইটগুলো সাধারণত কালো ও ফাপা হয়ে থাকে। এই ইট সাধারণত খোয়া ও ব্যাটস তৈরীতে ব্যবহৃত হয়।

পিকেড ঝামা ইটঃ রাস্তার খোয়া তৈরী, গাথুনি বা কংক্রিটের খোয়া হিসেবে ব্যবহুত হয়।

ফাপা ইট: এই ইট সাধারণত তাপ বা ঠান্ডা প্রতিবন্ধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তবে আমাদের দেশে ইটের বিকল্প হিসেবে ব্লকের প্রচলন আছে।

1 Comment

  • গুনাগোন বানানটা মনে হয় ভুল।গুনাগুন হবে মনে হয়।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।